Loading ...
  • Tue, 29 Sep 2026, 05:08 am
আবহাওয়া ব্যানার

কলাপাড়ায় অন্তঃসত্ত্বা নারীকে মারধরে ডেলিভারী পরবর্তী সন্তানের মৃত্যু

নয়নাভিরাম গাইন নয়ন কলাপাড়া।। / ৩৯
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

 

নয়নাভিরাম গাইন (নয়ন) কলাপাড়া পটুয়াখালী, প্রতিনিধি।।

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক নারীকে মারধর ও পেটে লাথি মারার অভিযোগ উঠেছে
সোহাগ (৩০), আল-মামুন (২৬) ও শাওন (৪০) সহ আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার পর ওই নারীকে হাসপাতালে নিয়েগেলে তিনি একটি সন্তান প্রসব করেন এবং সাথে সাথে নবজাতকটির মৃত্যু হয়। শনিবার (২৬ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে উপজেলার চাকামইয়া ইউনিয়নের মুন্সিবাড়ি স্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মারধরের শিকার ওই গৃহবধূর নাম তানিয়া (২৫)। তিনি চাকামইয়া ইউনিয়নের বেতমোর এলাকার দুলাল হাওলাদারের মেয়ে এবং হাবিব আকনের স্ত্রী।

পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, তানিয়াকে চিকিৎসকের কাছে নেওয়ার পথে মুন্সিবাড়ি স্ট্যান্ড এলাকায় গাড়ি সাইড দেওয়াকে কেন্দ্র করে তার স্বামী হাবিব আকনের সঙ্গে কয়েকজনের বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে সোহাগ (৩০), আল-মামুন (২৬) ও শাওন (৪০)সহ কয়েকজন হাবিবকে মারধর করেন বলে অভিযোগ। এ সময় স্বামীকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে তানিয়াকেও মারধর ও পেটে লাথি দেওয়া হয় বলে পরিবারের দাবি।

পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার পর তানিয়া ও তার স্বামীকে প্রায় দুই ঘণ্টা ঘটনাস্থলে আটকেরাখে। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের হস্তক্ষেপে তাদের কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে তানিয়া একটি নবজাতক প্রসব করেন। কিছুক্ষণ পর নবজাতকটির মৃত্যু হয়।

তানিয়ার বাবা দুলাল হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন, সোহাগ,আল-মামুন ও শাওন তার মেয়ে ও জামাইকে মারধর করে আহত করেছেন। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

তানিয়ার স্বামী হাবিব আকন বলেন, “তারা আমাকে ও আমার স্ত্রীকে মারধর করেছে এবং চিকিৎসা নিতে বাধা দিয়েছে। আমার স্ত্রী সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিল। আমার সন্তান পৃথিবীর আলো দেখার আগেই মারা গেছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।”

কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, হাসপাতালে আনার পর তানিয়া সন্তান প্রসব করেন। নবজাতকটির শ্বাস-প্রশ্বাস ছিল এবং কিছু সময় অক্সিজেন দেওয়া হয়। পরে নবজাতকটির মৃত্যু হয়। তবে চিকিৎসা দেওয়ার পর তানিয়ার শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে।

চাকামইয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মজিবর ফকির ঘটনাটিকে দুঃখজনক উল্লেখ করে নিন্দা জানান। একই সঙ্গে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

এ বিষয়ে কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, “খবর পেয়ে হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
tawhidit.top/