Loading ...
  • Wed, 23 Sep 2026, 05:27 pm
আবহাওয়া ব্যানার

কলাপাড়ায় জমি দখলের অভিযোগে ইউপি সদস্য সাহিন মৃধা ও জাহাঙ্গীর হাওলাদারের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

কলাপাড়া প্রতিনিধি। / ২
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

 

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি।। কলাপাড়ায় জাল দলিল সৃষ্টি করে জমি দখলের অভিযোগে ইউপি সদস্য সাহিন মৃধা ও জাহাঙ্গীর হাওলাদারের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। বুধবার বেলা ১২ টায় উপজেলার ধানখালী ইউনিয়নের পশ্চিম ধানখালী গ্রামে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক হারুন মাতুববর, ধানখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আসাদুজ্জামান আলমগীর হাওলাদার, ৬ নং ওয়ার্ড সভাপতি ফারুক মৃধা, ৩ নং ওয়ার্ড বিএনপি সাধারণ সম্পাদক খোকন মৃধা, ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য রহিম সিকদার, রাজা সিকদার, মিজানুর রহমান, আকলিমা বেগম। এছাড়া জমির মালিকগন পরিবারের সদস্যরা ও এলাকাবাসীরা উপস্থিত ছিলেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ধানখালী ইউনিয়নের স্থানীয় বাসিন্দা এবং ৩নং ওয়ার্ডের বর্তমান মেম্বর মোঃ শাহিন মৃধা পিতা-মৃত নিজাম উদ্দিন মৃধা এবং মোঃ জাহাঙ্গীর হাওলাদার পিতা-ইউনুছ হাওলাদার এই এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা থাকা স্বত্যেও মোঃ শাহিন মৃধা আমতলী উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা দেখাইয়া উক্ত ইউনিয়নের তার নামে এবং তার ভাই মৃত সালিন আহম্মেদ এর নামে ১.৫০০০ একর করে মোট ২,০০০ একর জমি বন্দোবস্ত প্রাপ্ত হয়। তাছাড়া মোঃ শাহিন মৃধা, জাহাঙ্গীর হাওলাদার এবং মৃত ভাই মোঃ সালিন আহম্মেদ এর নামে ধানখালী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ভূয়া ভাক্ত জাল জালিয়াতী ভাবে কাগজপত্র সৃষ্টি করেন। এ বিষয় কলাপাড়া সহকারী কমিশনার ভূমি অফিসে বর্তমান ইউপি সদস্য মোঃ শাহিন মৃধা, জাহাঙ্গীর হাওলাদারের বিরুদ্ধে একখানা অভিযোগ দায়ের করিলে সহকারী কমিশনার ভূমি অফিসার উক্ত বিষয় তদন্ত করার জন্য ধানখালীর ভূমি সহকারী কর্মকর্তা
মোঃ নজরুল ইসলাম উপর তদন্ত ভার অর্পন করে। তিনি মোঃ শাহিন মৃধা, জাহাঙ্গীর হাওলাদার এবং সালিন আহম্মেদ এর ভূয়া ভাক্ত কাগজপত্র পর্যালোচনা করে একটি তদন্ত প্রতিবেদন সহকারী কমিশনার ভূমি অফিসে জমা প্রদান করেন। তদন্তে উক্ত বি.এস ১১৯০ নং দাগের জমি সহ ১১৯৭ নং দাগের ২.০০একর জমি ৬০০কলা/১৯৮৬-৮৭নং বন্দোবস্ত কেসে ২৪/০৪/২০২২ইং তারিখের ২৪৭০নং দলিল মূলে মোঃ সালিন আহম্মেদ পিতা-মৃত নিজাম আহম্মেদ অবৈধ বন্দোবস্ত প্রাপ্ত হন। ১১৯৯ নং দাগের ২.০০একর জমি ৫৯৯ কলা/১৯৮৬-৮৭নং বন্দোবস্ত কেসে ১৯/০৫/২০২২ইং তারিখের ২৮৮৩নং দলিল মূলে মোঃ জাহাঙ্গীর হাওলাদার পিতা-ইউনুচ হাওলাদার সাং-পাচজুনিয়া দেখাইয়া অবৈধভাবে বন্দোবস্ত প্রাপ্ত হন। উক্ত বন্দোবস্ত কেস জাল জালিয়াতীভাবে মোঃ শাহিন মৃধা, জাহাঙ্গীর হাওলাদার সৃষ্টি করিয়াছে।”
প্রকৃত পক্ষে উক্ত বি.এস ১১৯০,১১৯৭ ও ১১৯৯নং দাগের সম্পত্তি ভুক্তভোগীদের নামে রেকর্ডকৃত সম্পত্তি। ওই সম্পত্তি মোঃ শাহিন মৃধা ও জাহাঙ্গীর হাওলাদার ক্ষমতার দাপটে জনতার বলে জোর পূর্বক ভোগ দখল করেছে। উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি উক্ত সম্পত্তিতে লাল নিশান টানাইয়া রাখিলে মোঃ শাহিন মৃধা ও জাহাঙ্গীর হাওলাদার সহকারী কমিশনার ভূমি সাহেবের আদেশ অমান্য করিয়া জোর পূর্বক গায়ের জোরে ভুক্তভোগীদের ভোগ দখলীয় ১১৯০,১১৯৭ ও ১১৯৯ নং দাগের জমি চাষাবাদ করে। তাই ভূমিদস্যু মোঃ শাহিন মৃধা ও জাহাঙ্গীর হাওলাদার এর কবল হইতে রক্ষা পেতে এবং সুষ্ঠ তদন্ত সহ বিচারের দাবি জানান।

এ বিষয় ধানখালী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সাহিন মৃধা বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ দেয়া হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। উল্টো রহিম সিকদার আমার জমি বিএস করে নিয়ে গেছে। আমি এ নিয়ে একাধিক বার অভিযোগ জানিয়েছি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির কাছে। এ ছাড়া ধানখালীর পাশাপাশি পূর্ব চিলার গরিবদের কার্ডের জমি রয়েছে। এ জমিগুলো তার দখল করতে চায় আমি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হিসেবে বাধা দেয়ায় আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।


এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
tawhidit.top/