Loading ...
  • Sun, 17 মে 2026, 08:49 am
আবহাওয়া ব্যানার

কলাপাড়ায় সুরঙ্গ করে ঘরে ঢুকে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।

কলাপাড়া প্রতিনিধি। / ৫১৯
শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি।।

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গভীর রাতে মাটি খুঁড়ে ঘরে ঢুকে কলেজ পড়ুয়া এক তরুণীকে গন ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার রাত দেরটার দিকে উপজেলার চম্পাপুর ইউপির ৮ নং ওয়ার্ডে এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করেছে পুলিশ।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী সুমাইয়ার (ছদ্মনাম) অভিযোগ শুক্রবার রাতে প্রতিদিনের মতো তার ছোট ভাইকে সঙ্গে নিয়ে নদীতে চিংড়ি রেনু আহরণ করতে গিয়েছিলেন তার মা। এসময় টিন শেডের ঘরে একা ঘুমিয়ে ছিলেন। কিন্তু রাত দেড়টার দিকে তার ঘুম ভাঙলে দেখতে পান ঘরে অচেনা পুরুষের উপস্থিতি এবং তার পরিধেয় পোশাক খোলা অবস্থায় রয়েছে।
সয়ম মাথার শিয়রে একজন এবং আর একজন তার সামনেই অবস্থান করছে।
এরপর তিনি উঠে যাওয়ার চেষ্টা করলে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এক পর্যায়ে গলায় ধারালো বটি ধরে তাকে হত্যার হুমকি দেয় মুখোশধারীরা। এবং ভোররাত পর্যন্ত খালি ঘরে সময় কাটিয়ে চলে যায় অজ্ঞাত দুই ব্যক্তি। ডালিয়া বলেন, আমার মুখ মন্ডল জলে যাচ্ছিল এবং গন্ধ বের হচ্ছিল। ওরা আমাকে চেতনা নাশক কিছু দিয়ে আমার সঙ্গে জঘন্য কাজ করেছে।
একটা সময়ে আমি যখন আর নির্যাতন সইতে পারছিলাম না তখন মৃত্যুর ভয় উপেক্ষা করে চিৎকার দিয়ে একজনকে লাথি দিয়ে খাট থেকে নেমে জানালা খুলে চিৎকার দিতে থাকি। পরে আমার চাচা চাচি চিৎকার শুনে এগিয়ে এলে তারা পিছনের দরজা খুলে পালিয়ে যায়।

ডালিয়া চাচি মাফিয়া বেগম বলেন, চিৎকার শুনে আমার স্বামীকে নিয়ে ওদের ঘরে গিয়ে দেখি প্রায় বিবস্ত্র অবস্থায় রয়েছে মেয়েটি। এসময় আমরা বুঝতে পারি জঘন্য কিছু ঘটেছে। পরে টর্স নিয়ে বাড়ির আসেপাশে খুঁজে দেখি ঘরে বেড়ার নিচে মাটি খোঁড়া। ওই মাটি খুড়েই ঘরে প্রবেশ করেছে তারা। পরে ডালিয়াকে সেলোয়ার পরিয়ে ঘরে নিয়ে আসি।

তবে ডালিয়ার শরীর থেকে একটা গন্ধ বের হচ্ছিল বলে জানান তিনি। তিনি কালবেলাকে বলেন, ওই রাতেই ডালিয়া তাকে জানান, ওর মুখ চেপে ধরে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে। সইতে না পেরে মৃত্যু ভয় এড়িয়ে চিৎকার দিয়েছে।

কলাপাড়া থানার ওসি নজরুল ইসলাম কালবেলাকে বলেন, ঘটনা স্থলে পুলিশ পাঠিয়ে আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। ভিকটিমের মা ১ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের নামে ভিযোগ দায়ের করেছেন। এছাড়া ওই তরুণীকে মেডিকেল পরিক্ষার জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
আমাদের জেলা পুলিশ সুপার মহোদয় বিষয়টি খুবই গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।


এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
tawhidit.top/