Loading ...
  • Fri, 06 Mar 2026, 05:14 am
আবহাওয়া ব্যানার

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় জোরপূর্বক ধর্ষণ করায় অন্তসঃত্বা যুবতী।

নিউজ রুম / ৯৭
শনিবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৪

কলাপাড়া পটুয়াখালী সংবাদ দাতা।। 

বিয়ের আশ্বাস দিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করায় দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছেন (৩৩) বছর বয়সী এক যুবতী। ফলে স্ত্রী এবং সন্তানের স্বীকৃতি চেয়ে সোহাগ হাওলাদার নামের (৩৫) বছর বয়সীএক যুবকের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ভূক্তভোগী ওই নারী

শুক্রবার (১৯ জানুয়ারি) রাতে ওই যুবক সহ দুই জনের বিরুদ্ধে কলাপাড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,সোহাগ এবং ওই নারীর বাড়ি বালিয়াতলী ইউপির পক্ষিয়াপাড়া গ্রামে। প্রায় চার বছর পূর্বে ২০১৯ সালে স্বামীর সঙ্গে ডিভোর্স হয় এক সন্তানের জননীর ওই নারীর। এর পর তার পিছে লাগেন এক সন্তানের জনক সোহাগ হাওলাদার। পূর্ব পরিচিত হওয়ায় সোহাগের লোলুপ দৃষ্টি পরে স্বামী পরিত্যাক্তা ওই নারীর ওপর। এর পর থেকেই সময় অসময়ে বহুবার প্রেমের প্রস্তাব দেয় সোহাগ। এতে রাজি না হওয়ায় বিভিন্ন সময়ে সে ওই নারীকে ভয়ভীতি দেখাতো বলে অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তীতে ২০২৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে সারাদেন ওই নারী। পরিপক্কতা পায় তাদের দুজনার প্রেমের। এরপর ওই নারীর ওপর শুরুহয় সোহাগের পৈছাশিকতা,বিভিন্ন সময় ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় জোর পূর্বক গড়ে তোলেন বিবাহ বহির্ভূত দৈহিক রাত্রিযাপন। এর ক’দিন পর বিবাহের আশ্বাস দিয়ে নিয়েযান ঢাকায়। সেখানে ওঠেন ভাড়া বাসায়। সেখানে ভূয়াকাজি ডেকে মিথ্যা বিয়ের নাটক করেন সোহাগ। এরপর ওই বাসায় বেশ কয়েকদিন তারা এক সঙ্গে বসবাস করেন। তবে গত ১৫ নভেম্বর হঠাৎ ওই নারীকে ভাড়া বাসায় ফেলে রেখে সোহাগ পালিয়ে চলে আসেন এলাকায়। বেশ কয়েকদিন পর স্বামীর খোঁজে ওই নারীও এলাকায় চলে আসেন। তবে ভূক্তোভোগী ওই নারীর শারীরিক পরিবর্তন মনে হলে করান ডাক্তারি পরীক্ষা। সেখানে জানতে পারেন তিনি দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা। এই বিষয়টা সোহাগ জানতে পেরে ওই নারীর সঙ্গে সে পুরোপুরি যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় এবং তাদের বিয়ের বিষয়টি পুরোপুরি অস্বীকার করে।

কান্না জড়িত কন্ঠে ভূক্তভোগী ওই নারী জানান, আমি সোহাগের সঙ্গে প্রেম করতে চাইনি। সে প্রথমে আমাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রেমে রাজী করায়। আমাকে সে বেশ কয়েকবার বিয়ের কথা বলেছে। এছাড়া বিভিন্ন স্থানে নিয়ে আমাকে আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্ব ধর্ষণ করেছে। সে বিয়ের কথা বলায় ধর্ষণের বিষয়টি আমি লোক লজ্জার ভয়ে কাউকে জানাইনি। আমি অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর সোহাগের পরিবার সহ এলাকার অনেকের কাছে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে ধর্না ধরেছি। কিন্তু কেউই আমার বিষয়টি দেখেনি। আমি স্ত্রী সন্তানের স্বীকৃতি চাই। এছাড়াও এ ঘটনা সোহাগের পিতা মজিবুর হাওলাদারকে জানালে সে ওই নারীকে জ্বরের ঔষধ কিনে দেয়ার কথা বলে সন্তান নষ্ট করার পায়তারা করেন বলে অভিযোগ করেন ওই নারীর। এই বিষয়ে সোহাগের কাছে জানতে চাইলে তার বিরুদ্ধে আনিত সকল অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি।

কলাপাড়া থানার ওসি আলী আহম্মদ জানান,
এঘটনায় অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে।

 

 


এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
tawhidit.top/