জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, কুয়াকাটা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:
কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে ১০ নাম্বার এবং চট্টগ্রাম ও পায়রা সমুদ্রবন্দরে ৮ নাম্বার মহাবিপদসংকেত জারি করলো বাংলাদেশ আবহাওয়া অফিস। এই ঘোষণার পর থেকেই,
পটুয়াখালী কুয়াকাটার ক্ষুদ্র জেলেরা সরিয়ে নিচ্ছে তাদের মাছ ধরার সকল সরঞ্জাম, এদিকে সময় যতই ঘনিয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় মোখা’র আতঙ্কে উপকূলবাসী। হঠাৎ উত্তর হয়ে উঠেছে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত, বাতাসের গতি ও বাড়তে শুরু করেছে, বিকেল থেকে মেঘলা আকাশ। সকালে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হতেও দেখা গেছে।
শনিবার (১৩ মে ) সরজমিনে ঘুরে লক্ষ্য করা যায়, জেলেরা যার যার নিজের মালামাল তরি ঘড়ি করে সরিয়ে নিচ্ছে।আবহাওয়া অফিস থেকে কুয়াকাটায় টানানো হয়েছে সতর্কের লাল নিশান ৷ সমুদ্রে গোসল করতে নামতে দিচ্ছে না পর্যটকদের। কুয়াকাটা টুরিস্ট পুলিশ মাইকিং করে সমুদ্রে নামতে নিষেধ করছে। ঘূর্ণিঝড় মোখা’র প্রভাব দেখে, বিকেলে পর্যটক কুয়াকাটা ছেড়ে চলে যেতে দেখা গেছে। বেড়েছে সমুদ্রের স্রোতের গতি বড় বড় ঢেউ আছড়ে পড়ছে কিনারায়।
জেলে হাবিব খলিফা জানান ঘূর্ণিঝড় মোখা’র প্রভাব ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে টিভিতে দেখলাম হুঁশিয়ারি সংকেত বেড়েছে। আর বিশেষ করে এখন আমরা আগে থেকে ঘূর্ণিঝড়ের খবর শুনলেই খুব ভয় হয়। কারণ এই ঝড়ের কবলে পড়ে ভিটামাটি সহ সবকিছুই হারিয়েছিলাম তাই ঘূর্ণিঝড়ের খবরের সাথে সাথে প্রস্তুত থাকি এবং সবকিছু হেফাজতে রাখা চেষ্টা করি।
ঢাকা থেকে আসা পর্যটক আশিকুর রহমান জানান, ঘূর্ণিঝড়ের খবরে আমরা আতঙ্ক হয়েছি আমার পরিবার ও খবর শুনে আতঙ্কিত হচ্ছে, তাই নিজের জন্মভূমিতে চলে যাচ্ছি। খুব ইচ্ছা ছিল কুয়াকাটাতে দুইদিন ভ্রমণ করব তবে এক বেলা থেকেই চলে যেতে হচ্ছে।
কুয়াকাটা পৌরসভা প্যানেল মেয়র মনির শরীফ জানান, ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলার সকল প্রস্তুতি নিচ্ছি আমরা। পৌরসভার পক্ষ থেকে শুকনো খাবার তৈরি করে রাখার পরিকল্পনা করুন করা হয়েছে, এবং এলাকার জনগণদের মাইকিংন করে সতর্ক করা হচ্ছে।
ইতিমধ্যেই কুয়াকাটার সকল আবাসিক হোটেল গুলোকে আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে,শনিবার (১৩ মে) কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি এমএ মোতালেব শরীফ এ তথ্য জানান।
tawhidit.top/