মহিপুর (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি :
কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর থানার সদর ইউপির ৪৮নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সহ-সহকারী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে একটি মহল অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
উপজেলার অন্যতম ক্লাস্টার প্রধান মহিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। দীর্ঘদিনের সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য একটি স্বার্থান্বেষী মহল পায়তাঁরা চালাচ্ছে। শিক্ষকদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন অভিভাবক সদস্য সহ স্থানীয়রা।
এবিষয়ে জানতে চাইলে অভিযোগকারী বাবুল দাস জানান,অভিযোগটা তিনি নন তার ছেলে করেছে আমার নাম দিয়ে।
অভিভাবক সদস্য মো. ফজলুল হক মিল্টন জানান, অভিযোগের বিষয়টি সম্পূর্ণ মনগড়া,এটা গভীর যড়যন্ত্র, এ বিদ্যালয়ে কোনো দিন কোচিং বাণিজ্য হয়নি। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা একজন অত্যন্ত ভালো মানুষ।
অভিভাবক কমিটির সদস্য মনির জানান,বিদ্যালয়ের সুনাম নষ্টের জন্য একটা পক্ষ এমন অপপ্রচার চালাচ্ছে, এসব অভিযোগ মিথ্যা এর কোনো সত্যতা নাই।
বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সহ-সভাপতি মো:বসির উল্লাহ বলেন,শিক্ষা ব্যবস্থায় শতভাগ সচ্ছলতা থাকলেও শিক্ষকদের ভিতরে কিছুটা গ্রুপিং রয়েছে এটা আমরা বসে অতিশীঘ্রই একটা স্থায়ী সমাধান করবো।
বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নাসির উদ্দীন বলেন,মহিপুর ৪৮নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নের জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন শিক্ষকরা। স্থানীয় একটি মহল ঈর্ষান্বিত হয়ে তাদের নামে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে। এতে করে বিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুন্ন হচ্ছে অন্যদিকে বিদ্যালয়ের সার্বিক শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। এসব অপপ্রচার কারীদের শাস্তিসহ বিদ্যালয়ের সম্মান অক্ষুন্ন রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষিকা তৃপ্তি রানী ভৌমিক জানান,এসব অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন,মনগড়া,২০১০ সালে এই প্রতিষ্ঠানে আমি দায়িত্ব প্রাপ্ত হয়ে দীর্ঘ ১৩ বছর সুনামের সাথে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করে আসছি। আমাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে ২০১১ সালে প্রতিষ্ঠানটি জেলার শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপিঠ হিসেবে নির্বাচিত হয়। ২০১৯ সালে বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয় নির্বাচিত হয়ে জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ করেন। আমার বিদ্যালয়ে প্রতিবছর গড়ে ১৫ থেকে ২০ টি জিপিএ ফাইভ আসে। আমি ২০১৬ সালে উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছি। দীর্ঘ আট বছর ধরে উপজেলা শিক্ষা কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছি। এবং প্রাথমিক শিক্ষা কমিটির মহিপুর থানা সভাপতি হিসেবে রয়েছি।
অভিযোগের বিষয় অস্বীকার করে তিনি বলেন আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে,আমি এমন মনগড়া ও ভিত্তিহীন মিথ্যা অভিযোগে বিরুদ্ধে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
tawhidit.top/