Loading ...
  • Fri, 16 Jan 2026, 05:31 am
আবহাওয়া ব্যানার

গলাচিপায় মনষা পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে

নিউজ রুম / ১৫৫
শনিবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৩

সজ্ঞিব দাস,গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
পটুয়াখালীর গলাচিপায় আনন্দঘন ও উৎসব মুখর পরিবেশে মনষা দেবীর পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সকাল থেকে দিন ও রাতভর উপজেলা আমখোলা ইউনিয়নের বাউরিয়া গ্রামের শ্রী নাগমাতা সেভাশ্রম ও মা মনষা মন্দিরে সেবক ও সাধক শ্রী আচার্য্য গোবিন্দ গোস্বামী এর আয়োজন হাজার হাজর ভক্তবৃন্দর আগমনে হিন্দু সম্প্রদায়ে মনষা পূজা অনুষ্ঠিত হয়। সনাতন পঞ্জিকা অনুসারে শ্রাবন মাসের শেষ দিনে অর্থাৎ শ্রাবণ সংক্রান্তিতের এই পূজা হয়। এবার শ্রাবণ মাস ছিল ৩২ দিনের এবং সে অনুযায়ী শুক্তবার ছিল শ্রাবণ সাংক্রান্তি।
মন্দিরে সেবক ও সাধক শ্রী আচার্য্য গোবিন্দ গোস্বামী জানান, মনসা বিজয় কাব্যে লেখা আছে যে, নাগমাতা কদরু একটি বালিকার মূর্তি নির্মাণ করেছিলেন, সেই মুহূর্তেই মহাদেব শিবের রশ্মি নির্গত হলে তা থেকে মনসার জন্ম হয়েছিল। এরপর নাগরাজ বাসকী তাকে ভগিনী বলে স্বীকার করে নেয় এবং ছোট থেকেই মা মনষা দেবীকে লালন পালন করে।
দেবীরূপে প্রাধান্যলাভ করতে মনসাকে বেশ সংর্ঘষ করতে হয়েছিল। মহাদেব বলেছিল যদি চাঁদসওদাগর তার পূজা করতে রাজি হয় তবেই পৃথিবীতে মনসা প্রচলিত হবে। কিন্তু চাঁদসওদাগর মনসাকে পুজা করতে রাজি হয়না। ফলে মা মনসা পুজা আদায়ের জন্য চাঁদসওদাগরের ৬ পুত্রকে হত্যা এবং ধনসম্পদ থেকে নিঃস্ব করেন। বেহুলা-লক্ষিন্দর কাহিনীর অংশ। লক্ষিন্দরের স্ত্রী বেহুলা ছিল মনসার পরমভক্ত। অনেক চেষ্টা করে বেহুলা চাঁদসওদাগরকে মনসা পূজা করাতে রাজি করেন। তাতেই খুশি হয়ে লক্ষিন্দরসহ চাঁদ সওদাগরের ৬ পুত্রকে জীবিত করেন এবং সব ধনসম্পদ ফিরিয়ে দেন। এরপরই মনসা পুজা জনপ্রিয় হয়ে উঠে। আর তখন থেকেই প্রতি বছর হিন্দু সম্প্রদায় শ্রাবণ মাসের শেষদিন সংক্রান্তিতে মা মনসার পূজা হয়ে আসছে।


এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
tawhidit.top/