Loading ...
  • Tue, 20 Jan 2026, 08:38 am
আবহাওয়া ব্যানার

কলাপাড়ায় শের-ই-বাংলা নৌঘাটি’র ভূমি অধিগ্রহনে ক্ষতিগ্রস্থদের মানবেতর জীবন যাপন।

নিউজ রুম / ১৩৪
বৃহস্পতিবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৩

নয়নাভিরাম গাইন (নয়ন) কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর কলপাড়া শের-ই-বাংলা নৌঘাটি সম্প্রসারণে ভূমি অধিগ্রহনে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার গুলো বর্তমানে মানবেতর জীবন যাপন করছে। পরিবারগুলোর অভিযোগ ভূমি অধিগ্রহন হলেও তারমূল্য পরিশোধ করতে উদাসীন রয়েছে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ। অধিগ্রহণকৃত এলাকায় রাস্তাঘাট বেহাল দশা এবং জলাবদ্ধতায় চরম ভোগান্তিতে রয়েছে তারা। অন্যত্র বসতি গড়ার জন্য দ্রুত অধিগ্রহনকৃত ভূমির সমুদয় মূল্য পরিষোধের দাবি ভুক্তভোগীদের।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়,
উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের বানাতিপাড়া ও গোলবোনিয়া মৌজার অধিকাংশ জমি শের-ই-বাংলা নৌঘাটি’র সম্প্রসারনের জন্য অধিগ্রহন করা হয়েছে। এ দু’টি মৌজায় বানাতিপাড়া,পশরবুনিয়া,ছোনখোলা, দশকানি ও চরপাড়াসহ বেশকটি গ্রামে প্রায় কয়েক হাজার লোক বসবাস করছে।
কিন্তু বর্ষামৌসুম হওয়ায় এসব এলাকার বাসিন্দারা জলাবদ্ধতা সহ যোগাযোগ ব্যাবস্থার কারনে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। এলাকার রাস্তাঘটা সংস্কারের নেই কোন উদ্যোগ। তাই কাদা পানি মারিয়ে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছে বাসিন্দারা।

তাদের অভিযোগ সকল জমিজমা অধিগ্রহন করা হয়েছ কিন্তু ক্ষতিপূরন পরিশোধে কালক্ষেপন করছে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ। এসব গ্রামের বাসিন্দারা এখন উচ্ছেদ আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। ক্ষতিপূরনের অর্থ না পাওয়ায় অনত্র যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেনা তারা। তাই অনিচ্ছা সত্যেও বাধ্য হয়ে যে যার অবস্থানেই বসবাস করছে। তাই নিত্য প্রয়োজনীয় কাজে তাদের কলাপাড়া উপজেলা শহরসহ অনত্র যাতায়ত করতে হয়। কিন্তু, অধিগ্রহনকৃত এলাকা হওয়ায় সকল ধরনের সংষ্কার কাজ প্রায় বন্ধ। ফলে, রাস্তাঘাটের বেহাল দশায় চলাচলেনচরম ভোগান্তিতে রয়েছে। তারা বলছেন সরকার অধিগ্রহনকৃত জমি ও বসতভিটার টাকা পরিশোধ করবে অন্যথায় যোগযোগ ব্যবস্থার উন্নতি করে বসবাস করার মতো ব্যবস্থা করবে এটাই তাদের দাবী।

পশরবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা ক্ষতিগ্রস্থ লিটন বলেন, আমাদের রাস্তার খুব খারাপ অবস্থা চলাচল করতে পারছি না। সামান্য বর্ষা ও জোয়ারের পানিতে বাড়িঘর,পুকুরসহ সব পানিতে তলাইয়া য়ায়।সরকার আমাদের বাড়িঘরের নোটিশ দিয়া রাখছে, টাকা-পয়সা দেয় না আর উঠাইয়াও দেয় না। আমরা চরম ভোগান্তির মধ্যে আছি।

লালুয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শওকত হোসেন তপন বিশ্বাস বলেন, আমি এবিষয়ে একাধিকবার যথাযথ কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলেছি। আবারও বিষয়টি নিয়ে তাদের সাথে কলবো।

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গির হোসেন বলেন, ভূমি অধিগ্রহনে ক্ষতিগ্রস্থদের টাকা পরিশোধের বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে দ্রুত ব্যবস্থা করবো। কিন্তু অর্থ পরিশোধে বেশি বিলম্ব হলে তাদের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি করার চেষ্টা করবো।

পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক মো. কুতুবুল আলম বলেন, ওখানে কয়েকটি মেঘা প্রজেক্ট চলমান রয়েছে। অনেকের ক্ষতিপূরন পরিশোধ হয়েছে। এখানে যেসকল ক্ষতিগ্রস্থরা রয়েছে তাদের ক্ষতিপূরন দেয়ার দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।


এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
tawhidit.top/