মোঃ সাইদুর রহমান, আমতলী(বরগুনা)প্রতিনিধি:
বরগুনার আমতলীর গুলিশাখালীতে ২৫ বছর পর নতুন রাস্তা পেয়ে খুশি এলাকাবাসী।
বরগুনার আমতলী উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নে অতিদরিদ্রদের জন্য গৃহীত ৪০ দিনের কর্মসৃজন কর্মসুচি(ইজিপিপি)সংশ্লিষ্ট এলাকায় কর্মহীনদের কর্মসংস্থান সৃস্টির পাশাপাশি গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণে বড় ভুমিকারাখছে।এসব কর্মসুচি বাস্তবায়নের ফলেএকদিকে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের অতিদরিদ্ররা অভাব -অনটনের সময় কাজ পাচ্ছে, অন্যদিকে এলাকার গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ কাঁচা রাস্তা উন্নয়ন ও সংস্কার হচ্ছে। তাই এ প্রকল্পের সুফল পেতে শুরু করেছে সাধারণ মানুষ।
জানাগেছে,উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নের দুটি প্রকল্প রয়েছে।এর মাধ্যম অতি দরিদ্রদের কর্মসংস্থানে(৪০ দিনের কর্মসূচি)ইজিপিপি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের তত্ত্ববধানে ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় (পিআইও) সূত্রে জানা গেছে, গুলিশাখালী ইউনিয়নে ২টি প্রকল্পে মোট ১৩৯ জন শ্রমিক কাজ করেছেন। দৈনিক ৪০০ টাকা মজুরি ও প্রত্যেক দলের নেতাকে আরও ৫০ টাকা অতিরিক্ত পরিশোধ করা হয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, গুলিশাখালী মোশারেফ মিয়ার বাড়ী হইতে জালাল পাহলানের বাড়ী হয়ে রবি জালো এর বাড়ী পর্যন্ত মাটির রাস্তা নির্মানে ৫০ জন শ্রমিক ও হরিদ্রাবাড়ীয়া গ্রামের গনি হাং এর বাড়ী হইতে খালেক হাওলাদারের বাড়ী পর্যন্ত রাস্তা মাটি দ্বারা পুন :নির্মান প্রকল্পে ৮৯ জন শ্রমিক কাজ করছেন।
গুলিশাখালীর হরিদ্রাবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্ধা শ্রমিক জামাল রাঢ়ী বলেন, ‘আমরা দৈনিক ৮৯ জন শ্রমিক ৪০০ টাকা করে মোবাইল সিমে ৪০ দিন পেয়েছি। এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন হওয়ায় গ্রামীন মানুষের অনেক উপকার হয়েছে বলে জানান, অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক আলহাজ্ব মো. মোসলেম উদ্দিন।
হরিদ্রাবাড়ীয়া গ্রামের বাসিন্দা সাবেক প্রধান শিক্ষক গাজী আব্দুর রহমান বলেন,৩০/৩৫ বছর ধরে আমরা খালের পাড় ঝাড় জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে হরিদ্রা বাড়য়িা ও কলাগাছিয়ার ৫ শত পরিবারের শিশু বৃদ্ধা স্কুল কলেজের ছাত্র ছাত্রীরা কলাগাছিয়া বাজার যাওয়া আসা করতাম কোন রাস্তা ছিলনা। তাই রাস্তাটি হওয়ায় ইউপি চেয়ারম্যানকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
প্রকল্প সভাপতি ও ইউপি সদস্য মো. মাসুদ বলেন,‘আমি নির্বাচিত হওয়ারপর ৩নং ওয়ার্ডের এ রাস্তাটিকে গুরুত্ব দিয়ে, প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নে অঙ্গীকার মোতাবেক স্বচ্ছভাবে কাজ করিয়েছি।
গুলিশাখালী ইউপি চেয়ারম্যান অ্যাড: এইচ এম মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পগুলোতে কোনোভাবে দুর্নীতি করার সুযোগ নাই।’সরকারী বিধান মোতাবেক সম্পূর্ন কাজ (ইজিপিপি)প্রকল্পের নীতিমালা অনুসারে সম্পন্ন করা হয়েছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জামাল হোসাইন বলেন, ‘প্রকল্পগুলো যথাযথভাবে বাস্তাবয়নের জন্য নিয়মিত তদারকি করা হয়েছে।
tawhidit.top/