ইসরাত জাহান দোলা ঢাকা।
অমর একুশে বইমেলার ১২ তম দিনে দর্শনার্থী ও ক্রেতাদের ভিড় ছিল চোখে পড়ারমত।
মেলা মানেই ক্রেতা দর্শনার্থীদের মিলন,মেলা মানেই উৎব কেনা কাটা খাওয় দাওয়া আর হৈ হুল্লোড়। মেলা মানেই একে অন্যের সাথে ভাব বিনিময় হৃদয়ে তৈরী হয় মেলবন্ধন।
তেমনি অমর ২১শে বই মেলার ১২ তম দিন রবিবার যেন বই প্রেমী, লেখক, প্রকাশক ক্রেতা দর্শানার্থীদের মিলনস্থলে পরিনত ছিল। অমর ২১ শে বই মেলা প্রানের মেলা হিসেবে সকলের মনে জায়গা করে নিয়েছে। এই মেলার মাধ্যমে লেখক ও পাঠকদের মধ্যে মেলবন্ধন গড়ে ওঠে। মেলায় লেখক ও প্রকাশকরা পাঠকদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের বই প্রকাশ করে। বইমেলায় সবসময়ই জ্ঞান পিপাসুদের ভিড় থাকে। এবারও তার ব্যাতিক্রম নয়। মেলায় আসছে শিশু কিশোর সহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ। রকমারী সাজ সজ্জায় বইয়ের দোকান গুলো সেজে উঠেছে মেলা প্রাঙ্গণে। ছোট ছোট বাচ্চারা বাহারী পোষাকে সেজে মেলাকক আরও প্রানবন্ত করে তুলেছে। বাচ্চাদের স্টলগুলোতে রকমারি বই বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ছোটদের বিনোদনের জন্যও ছিল নানা আয়োজন। গত বছরের তুলনায় এবারের বইমেলা চিত্র অনেকটাই ভিন্ন। করোনা মহামারির জন্য গত দুই বছর নির্দিষ্ট সময়ে বই মেলা হতে পারেনি। এ বছর সেই প্রতিবন্ধকতা না থাকায় নিদ্রিষ্ট সময়েই শুরু হয়েছে। পুরো ফেব্রুয়ারী মাসজুড়ে চলবে এ মেলা। সম্প্রতি কাগজের দাম বেড়ে যাওয়ায় বইয়ের মূল্য কিছুটা বেড়েছে বলে জানিয়েছেন প্রকাশকেরা। বিক্রেতারা জানান সবচেয়ে বেশী বিক্রি হচ্ছে হুমায়ূন আহমেদ, জহির রায়হান,সাদাত হোসাইন সহ প্রমূখ লেখকের বই। শুরু থেকেই মেলায় সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছে বাংলাদেশ পুলিশ, র্যাব, আনসার, বিজিবি ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। আস্তে আস্তে বইমেলায় পাঠক, দর্শনার্থী ও লেখকদের ভিড় বেড়েছে। মেলায় ভিড় দেখা গেলেও যারা মেলায় আসছেন তারা সবাই বই কিনতে নয়,অধিকাংশ ঘুরতে আসছেন। তবে আগামী দিনগুলোতে বই বিক্রি বাড়বে বলে প্রত্যাশা লেখক ও প্রকাশকদের।
tawhidit.top/