বিশেষ প্রতিবেদকঃ পটুয়াখালীর মহিপুর থানাধীন ডালবুগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর পরই নড়েচড়ে বসেছেন প্রার্থীরা। তারমধ্যে অন্যতম স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী এস. এম ওয়ালী উল্লাহ (নান্নু শিকদার)। তিনি গত উপ-নির্বাচনে অল্প সময়ের মধ্যেই চমক দেখাতে সক্ষম হন। ওই সময় ঘোড়া প্রতীকে ১৪৯১ ভোট পেয়ে বিজয়ী নৌকা মার্কার প্রার্থী মোঃ দেলাওয়ার হোসেন সিকদারের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে জনগণের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেন তিনি। এই নির্বাচনেও তার ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন তিনি, দিচ্ছেন নানান প্রতিশ্রুতি।
নির্বাচনের বিষয়ে এ প্রতিবেদকের সাথে একান্ত আলাপচারিতা হয় স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী নান্নু শিকদারের। এসময় তিনি ডালবুগঞ্জ ইউনিয়ন নিয়ে তার নানা পরিকল্পনা ও স্বপ্নের কথা জানান।
তিনি নির্বাচিত হলে এলাকার রাস্তাঘাটের টেঁকসই উন্নয়ন করা, এলাকাকে মাদক-সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত, শিক্ষিত বেকার ও যুব সমাজকে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জনসম্পদে পরিণত করা, অভাবগ্রস্ত ও দুস্থদের প্রতি বিশেষ নজর দেয়া, শালিস বাণিজ্য-অবৈধ লেনদেন ও জন্ম-মৃত্যু সনদ দেয়ার নামে হয়রানি বন্ধ করা, এক বছরের ট্যাক্স মওকুফ, ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের মানুষের যাতায়াতের জন্য মেহেরপুর-মনসাতলীতে নদীর উপরে ঝুলন্ত ব্রিজ নির্মাণ, তাদের সুবিধার্থে সেখানে সাব-অফিস স্থাপনসহ সকল জনগণের শতভাগ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করে ডালবুগঞ্জকে একটি স্মার্ট ইউনিয়নে রূপান্তর করবেন বলে জানান। এসব প্রতিশ্রুতি দিয়ে ইতোমধ্যে বেশ সাড়া পাচ্ছেন বলেও জানান এই প্রার্থী।
তিনি আরো জানান, জনপ্রতিনিধি না হয়েও তিনি জনগণের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। করোনাকালীন সময়ে সাধ্যমত মানুষের পাশে দাঁড়ানো, অসুস্থদের চিকিৎসাসেবায় সহযোগিতা করা, অভাবগ্রস্ত ও অসহায়দের মাঝে নিজস্ব অর্থায়নে শীতবস্ত্র প্রদান করাসহ বিভিন্নভাবে মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। তিনি আসন্ন নির্বাচনে সকল ভোটারদের কাছে ভোট ও সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত ২৩ জানুয়ারি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। তফসিল অনুযায়ী এই ইউপিতে আগামী ১৬ মার্চ ইভিএম-এর মাধ্যমে ভোটগ্রহণ। মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ তারিখ ১৯ ফেব্রুয়ারি, মনোনয়নপত্র বাছাই ২০ ফেব্রুয়ারি, প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২৭ ফেব্রুয়ারি এবং প্রতীক বরাদ্দ ২৮ ফেব্রুয়ারি।
tawhidit.top/