নয়নাভিরাম গাইন (নয়ন) কলাপাড়া, (পটুয়াখালী)।।
পটুখালীর কুয়াকাটায় সবুজ হাওলাদার (২৩) নামের এক যুবকের লাশ উদ্ধারের পর নিহতের স্ত্রী আমেনা বেগমের দেয়া তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় হত্যায় জরিত সন্ধেহে মোঃ লাল চাঁন (২৪) ও মো:বেল্লাল (২০) কে গ্রেফতার করেছে মহিপুর থানা পুলিশ। শনিবার (১৯ জুলাই) বিকেলে কলাপাড়া সার্কেলের এডিশনাল এসপি সমীর সরকার প্রেস ব্রিফিং এর মাধ্যমে সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন। ধৃত লাল চাঁন কুয়াকাটা পৌরসভার বাসিন্দা আঃ বারেক হাওলাদার’র পুত্র। অপর আসামী মো.বেল্লাল একই এলাকার নিজাম হাওলাদার’র পুত্র। এসপি সমির সরকার আরো বলেন,আসামী লালচান কে কুয়াকাটা পৌরসভার নিজ বসত বাড়ি হতে শনিবার ভোর রাতে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর তাকে জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায়, ধৃত অপর আসামী মো:বেল্লাল সহ তারা দুইজনে ১৬ জুলাই দিবাগত রাত ০১টা ১৫ মিঃ সবুজ হাওলাদারকে তার ব্যবহৃত গামছা দ্বারা গলায় ফাঁস লাইগাইয়া হত্যা করেন এবং লাশ গোপন করার উদ্দেশ্যে জঙ্গলের মধ্যে লতাপাতা দিয়ে ঢেকে রাখে। লাল চাঁন এর স্বীকারোক্তিমতে অপর আসামী মো: বেল্লাল কে তাহার বসত বাড়ি হইতে শনিবার সকাল ০৬ টা ৩০ মিঃ গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের সময় আসামী লাল চাঁন এর শোয়ার ঘরের একটি স্কুল ব্যাগের মধ্য থেকে নিহত সবুজ হাওলাদার এর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করা হয়েছে। আসামীরা হত্যার ঘটনার সাথে জড়িত থাকার সত্যতা স্বীকার করে জানায় যে,ভিকটিম সবুজ সহ আসামী লাল চাঁন ও বেল্লাল তাহারা পরপষ্পর আত্মীয়-স্বজন। তাহারা প্রায় সময়ই রাত বিরাতে মোবাইলে গেমস খেলে ও আড্ডা দেয়। একই সাথে চলাফেরা করার কারণে আসামী বেল্লাল এর সাথে ভিকটিম সবুজের পূর্ব থেকে টাকা পয়সার লেনদেন নিয়া বিরোধ ও ঘটনার রাতে মোবাইলে ছবি তোলানিয়ে বাক বিতন্ডার এক পর্যায় এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে।
উল্লেখ্য নিহত সবুজ কুয়াকাটা পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের আবুল বাসার হাওলাদার এর পুত্র।
tawhidit.top/