বুলবুল আহমেদ বদলগাছী নওগাঁ প্রতিনিধি।
নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার বিভিন্ন সড়ক ও অলিতে-গলিয়ে বেপরোয়াভাবে চলাচল করছে নিষিদ্ধ ট্রলি ও ট্রাক্টর। উপজেলার ছোট বড় সকল সড়কে সকাল থেকে শুরু করে মধ্য রাত পর্যন্ত দাপিয়ে বেড়াচ্ছে এসব যানবাহন। লাইসেন্স, সিগনাল লাইট ও হর্ণ ছাড়াই এগুলো রাস্তায় চলাচল করছে। এ সুযোগে অনেক অদক্ষ ও কিশোর বয়সের ছেলেরা চালাচ্ছে এসব গাড়ি। যার ফলে প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোটবড় দুর্ঘটনা। একারনে রাস্তায় সৃষ্টি হচ্ছে যানজট,কালো ধোঁয়ায় পরিবেশ হচ্ছে দূষিত । এছাড়াও এসব যানবাহনের কারণে গ্রামগঞ্জের কাঁচা-পাকা রাস্তা নষ্ট হচ্ছে দ্রুত। সচেতন মহল বলছেন ট্রাক্টর শুধুমাত্র চাষাবাদের জন্য বৈধ কিন্তু এখন অবৈধভাবে পণ্য পরিবহন কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে এই দানব কে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় বদলগাছী উপজেলার মিঠাপুর,মথুরাপুর,
ঐতিহাসিক পাহাড় পুর, ইউনিয়নের বুড়িগঞ্জ কসবা পচার মোড় এসব স্থান থেকে নিষিদ্ধ ট্রলি ও ট্রাক্টরের মাধ্যমে ইট, বালু, রড, সিমেন্ট, মাটি ও গাছসহ বিভিন্ন পণ্য অতিরিক্ত বোঝাই করে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নিয়ে যাচ্ছে। আবার কখনোও কৃষি জমির মাটি ও বালি মহাল থেকে পলি বালু নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করছে। যদিও এসব যানবাহন রাস্তায় পরিবহনের কোন সুযোগ নেই তারপরও অধিক মুনফা লাভের আশায় ট্রাক্টরের
মালিক অতিরিক্ত বডি লাগিয়ে অবৈধ ভাবে রাস্তায় নামিয়ে দেয়। আর লোকজন টাকা বাঁচানোর জন্য ট্রলি ও ট্রাক্টর ভাড়া করে ইট, সিমেন্ট, বালু, মাটি পরিবহন করে। এতে পরিবহনে অনুমদিত গাড়িগুলো লোকেসানে পরছে এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স না করার কারণে সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব।
উপজেলার বুড়িগঞ্জ বাজারের আববাস হোসেন বলেন, ট্রলি ও ট্রাক্টর যখন পচার মোড় ও বুড়িগঞ্জ বাজার অতিক্রম করি, তখন প্রায়ই বাজারে যানজট সৃষ্টি হয়। স্কুলে আসা-যাওয়ার সময় যখন এসব গাড়ি রাস্তায় চলে তখন স্কুলের বাচ্চারা রাস্তা পারাপারের সময় অনেক ভয় পায়। পঁচার মোড়ের ট্রলি চালক মোঃ রকি বলেন, ‘আমরা বেকার ও গরিব মানুষ,গাড়ি চালনার কোন প্রশিক্ষণ নেই,আস্তে আস্তে শিখে নিয়েছি। তিনি আরও বলেন ট্রলি বৈধ-অবৈধ বুঝি না। আমরা রাস্তায় গাড়ি চালিয়ে পরিবার চালাই।
সচেতন মহল মনেকরেন এসব নিষিদ্ধ গাড়ি নিয়ন্ত্রণে আনা প্রয়োজন। নাহয় দিনদিন এসব যানবাহনের প্রভাবে বড়ধরণের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
tawhidit.top/